সমকামিতা ও টুইন স্টাডি

রিপন ও দীপন দুই ভাই। দু’জনই ঢাকা মেডিকেলে পড়ালেখা করেছে।  দু’জনের চেহারা প্রায় একই রকম এবং তারা একই ধরনের পোশাক পড়ে। ফলে কেউ যদি ওদের কাউকে আলাদা ভাবে দেখে প্রথম দেখায় সে কি রিপন না দীপন পার্থক্য করা মুশকিল হয়ে যাবে।  এ অবস্থায় ওদের চেনার একটি সহজ উপায় আছে, তা হল ওদের সাথে কথা বলা। হ্যাঁ, রিপন একটু দ্রুত কথা বলে এবং চঞ্চল। অন্যদিকে, দীপন ধীরে কথা বলে এবং শান্ত প্রকৃতির।

সমাজের প্রচলিত ধারণা হল- সদৃশ যমজ (Identical Twin) সন্তানেরা যেহেতু দেখতে একই রকম এবং তাদের জেনেটিক গঠনও প্রায় একই, সুতরাং তাদের আচার-আচরণও একই রকম হবে। কিন্তু বাস্তবে তা হয় না। এর কারণ পরিবেশগত প্রভাবকগুলো আমাদের আচার আচরণের ধরণ নিয়ন্ত্রণ করে। অবিকল যমজ বাচ্চাদের অভিভাবকরা তাদেরকে ছোট বেলা থেকে একই ধাঁচে গড়ে তুললেও তারা যখন নিজেরা নিজেদের ইচ্ছেকে প্রাধান্য দিতে শুরু করে তখন থেকে তাদের জীবনধারণের প্রকৃতিতে পরিবর্তন চলে আসে। [১]

তদুপরি, সব যমজ সন্তানেরা সদৃশ হয় না।  বিজ্ঞানীরা যমজ হওয়ার প্রক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে যমজ  সন্তানদের শ্রেণীবদ্ধ করেন। দুটো সন্তান কি একটি জাইগোট থেকে হল নাকি দুটো জাইগোট থেকে হল তার উপর ভিত্তি করে যমজ সন্তানদেরকে দু’ভাগে ভাগ করা হয়:

১. মনোজাইগোটিক টুইন

২. ডাইজাইগোটিক টুইন

নারী-পুরুষ মিলনের মধ্য দিয়ে নারীর জরায়ুতে যে শুক্রাণু স্খলিত হয় তার মধ্যে থেকে একটি শুক্রাণু একটি ডিম্বাণুর মিলনের ফলে তৈরি হয় জাইগোট। উক্ত জাইগোট প্রথম কয়েক দফা বিভাজিত হওয়ার পর যদি আলাদা হয়ে যায় এবং আলাদা ভাবে বাড়তে থাকে, তখন যে যমজ সন্তান হয় তারা হল মনোজাইগোটিক। মনোজাইগোটিক যমজরা যেহেতু একই জাইগোট থেকে হচ্ছে তাদের লিঙ্গ একই হয়, মুখাবয়ব প্রায় একই রকম হয়। তাদের ডিএনএ-তে প্রায় ৯৯ শতাংশ মিল থাকে, তবে হুবহু মিল থাকে না। [২] অন্যদিকে ডাইজাইগোটিক টুইন হয় যখন একটি শুক্রাণুর পরিবর্তে দুটো শুক্রাণু দুটো ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে। এক্ষেত্রে দুটো জাইগোট তৈরি হয় এবং দুটো জাইগোট মায়ের গর্ভে পৃথকভাবে বড় হতে থাকে। ডাইজাইগোটিক যমজদের লিঙ্গ ভিন্ন হতে পারে, চেহারায় মিল না থাকার সম্ভাবনা বেশী। বছরে যতগুলো যমজ বাচ্চা জন্ম নেয় তার এক-তৃতীয়াংশ হয় মনোজাইগোটিক টু্‌ইন এবং বাকী দুই-তৃতীয়াংশ হয় ডাইজাইগোটিক টুইন।       

মনোজাইগোটিক যমজ সন্তানদের জন্মগত ভাবে মিল থাকলেও যতই দিন যেতে থাকে তাদের আচার আচরণ, শখ-আহ্লাদ, পোশাকের ধরণ, জীবনের লক্ষ্য ইত্যাদির পার্থক্য স্পষ্ট হতে থাকে। এর প্রধান কারণ হল পরিবেশগত প্রভাবগুলোর প্রতি যমজ সন্তানদের পৃথক প্রতিক্রিয়া এবং এর অন্যতম প্রক্রিয়া হল এপিজেনেটিক প্রক্রিয়া। এপিজেনেটিক প্রক্রিয়ায় ডিএনএ এসিটাইলেশন ও হিস্টোন মিথাইলেশন নামক ঘটনার মধ্যে দিয়ে জিন সাইলেন্সিং হয়। ফলে যমজ সন্তান দ্বয়ে জিনের এক্সপ্রেশন বিভিন্ন হয়। ধূমপান, শারীরিক পরিশ্রম, খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি প্রভাবকগুলো এপিজেনেটিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে। [৩] অর্থাৎ ডিনএনতে যতই মিল থাকুক না কেন পরিবেশ আচরণের প্রকৃতিকে প্রভাবিত করে।

বিহেভিওরাল জেনেটিক্সের রিসার্চে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অন্যতম হল অবিকল যমজ ব্যক্তিরা। এই বিভাগের বিজ্ঞানীদের ধারণা হল যেহেতু অবিকল যমজদের (আইডেনটিক্যাল বা মনোজাইগোটিক টুইন) ডিএনএ প্রায় একই রকম এবং যেহেতু অবিকল যমজ ও বিসদৃশ যমজ (নন-আইডেনটিক্যাল বা ডাইজাইগোটিক টুইন) উভয় দলই একই পারিবারিক পরিবেশে বড় হয়,  সেহেতু এদের মধ্যে স্টাডি করলে মানুষের আচরণগত বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে জিনের ভূমিকা যাচাই করা সহজ হবে। যেমন: অবিকল যমজদের মধ্যে যদি এমন একটি আচরণ নিয়ে পরীক্ষা করা হয়, যেটা জিনের দ্বারা নির্ধারিত বলে সন্দেহ করা হচ্ছে এবং সেক্ষেত্রে অবিকল যমজদের মধ্যে উক্ত আচরণের মাত্রা যদি যারা বিসদৃশ তাদের চেয়ে বেশী হয় তাহলে উক্ত জিনটি উক্ত আচরণে প্রভাব রাখছে বলে সিদ্ধান্ত আনা যাবে বা ধারণাকে দৃঢ় করা যাবে। কিন্তু টুইন স্টাডিগুলোতে মানুষের অধিকাংশ আচরণ নিয়ন্ত্রণে পরিবার ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিশ্চিত হওয়া গেছে, কারণ মনোজাইগোটিক যমজদের ক্ষেত্রে আচরণ ১০০ শতাংশ মিলে যায় না। [৪] লক্ষণীয়, যদি জিন আচরণকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতো তাহলে অবিকল যমজদের আচরণে ১০০ শতাংশ মিল পাওয়া যেতো।      

সমকামিতার জিনগত উৎস নিয়ে যে পরীক্ষাগুলো হয়েছে তার মধ্যে সর্বপ্রথম পরীক্ষাটি করেছিলেন কালম্যান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে করা এই স্টাডিতে সাবজেক্ট হিসেবে যাদের নেয়া হয়েছিলো তারা সমকামী হওয়ার পাশাপাশি মানসিক রোগাক্রান্ত ছিল। কালম্যান  তার স্টাডিতে দেখিয়েছিলেন যে ৩৭ জোড়া অবিকল যমজদের ৯৭ শতাংশ সমকামী অন্যদিকে ২৬ জোড়া বিসদৃশ যমজদের ১৫ শতাংশ সমকামী। [৫] তার স্টাডি যদি সঠিক হতো তাহলে বোঝা যেতো সমকামিতার পিছনে জিনের শক্ত ভূমিকা আছে। কিন্তু কালম্যানের স্টাডিতে অনেকগুলো পদ্ধতিগত সমস্যা ছিল (যেমন: মানসিক রোগীদের থেকে অংশগ্রহণকারী নেয়া যা সাধারণ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না।) এবং পরবর্তী কোন স্টাডিতে তার ফলাফলের পুনরাবৃত্তি হয়নি। [৬]   

প্রসঙ্গত, যারা জেনেটিক্যালী সদৃশ তাদের মধ্যে যদি পরীক্ষিত বৈশিষ্ট্যটি বেশী পাওয়া যাওয়া যায় বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় তাদেরকে বলা হয় জেনেটিক্যালী কনকর্ডেন্ট। ১৯৯১ সালে ও পরে বেইলী এট. এল.  সমকামিতার উপর বংশগতিয় প্রভাব সম্পর্কিত কয়েকটি স্টাডি করেন। এ স্টাডিগুলোতে সদৃশ যমজদের মধ্যে সমকামিতার কনকর্ডেন্স বেশী পাওয়া গিয়েছিলো। যেমন: ১৯৯১ সালের ছেলে সমকামীদের নিয়ে কৃত স্টাডিতে সদৃশ যমজদের মধ্যে ৫২%, বিসদৃশ যমজদের মধ্যে ২২% এবং দত্তক রূপে গৃহীতদের (যমজ নয়) মধ্যে ১১% জেনেটিক কনকর্ডেন্স পাওয়া গেছে। অন্যদিকে ১৯৯৩ সালে মেয়ে সমকামীদের নিয়ে করা স্টাডিতে সদৃশ যমজদের মধ্যে ৪৮ শতাংশ, বিসদৃশ যমজদের মধ্যে ১৬ শতাংশ এবং দত্তক রূপে গৃহীতদের মধ্যে ৬ শতাংশে সমকামিতা পাওয়া গেছে। [৫]

এই স্টাডিগুলো থেকে সমকামিতার সাথে জেনেটিক্সের সম্পর্কের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কিছু মৌলিক সমস্যা আছে। প্রথমত, এই সমকামিতা যদি পুরোপুরি জিন দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হত আমরা ১০০ শতাংশ জেনেটিক কনকর্ডেন্স পেতাম। সুতরাং এই স্টাডিগুলো থেকে প্রথমেই স্পষ্ট হয়ে যায় সমকামিতা পুরোপুরি জেনেটিক বলার সুযোগ নেই, হয়ত বলা যেতে পারে জেনেটিক প্রভাব আছে। [৭]  দ্বিতীয়ত, এই স্টাডিগুলোতে যেই পদ্ধতিতে অংশগ্রহণকারীদের সংগ্রহ করা হয়েছিলো সেই পদ্ধতিতেই সমস্যা পরিলক্ষিত হয়। অংশগ্রহণকারী নির্বাচনের ক্ষেত্রে গে বা লেসবিয়ানদের ম্যাগাজিনগুলোতে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছিলো যে যাদের যমজ ভাই বা বোন আছে তারা যেন স্টাডির জন্য আসে। এ ধরনের অধিক বিজ্ঞাপিত স্টাডির ক্ষেত্রে পরীক্ষা করে দেখা গেছে যারা সদৃশ যমজ তারা বিসদৃশ যমজদের চেয়ে বেশী অংশগ্রহণ করে। ফলে প্রথমেই একটি ‘ভলান্টিয়ার ইরর’-এর কারণে ‘সিলেকশন বায়াস’ তৈরি হয়। [৬] ২০০০ সালের দিকে বেইলী এট.এল.  পদ্ধতিগত ত্রুটি ঠিক করে অস্ট্রেলিয়ার টুইন রেজিস্ট্রি থেকে অংশগ্রহণকারী নিয়ে যখন একই পরীক্ষার পুনরাবৃত্তি করেন তখন তাদের ফলাফল যথেষ্ট কমে আসে। সদৃশ যমজদের ক্ষেত্রে ২৪ শতাংশ ও বিসদৃশ যমজদের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ কনকর্ডেন্স পাওয়া যায়।[৫]

বেইলী এট. এল. ছাড়াও আরও অনেকে এ সংক্রান্ত টুইন স্টাডি করেছেন। ড. নেইল হোয়াইটহেড বিশেষত ২০০০ সাল পরবর্তী স্টাডিগুলো নিয়ে একটি বিস্তারিত রিভিউ চালিয়েছেন।[৬]  সেখানে ছেলে সমকামীদের ক্ষেত্রে গড় কনকর্ডেন্স পাওয়া গেছে ২২ শতাংশ এবং মেয়ে সমকামীদের ক্ষেত্রে ৩৩ শতাংশ (স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশন অনেক বেশী যথাক্রমে ১৬ ও ২০ শতাংশ)। অর্থাৎ সমকামিতার ক্ষেত্রে দুর্বল জেনেটিক প্রভাব পাওয়া গেছে। প্রসঙ্গত, টুইন রিসার্চে ২৫, ৫০ ও ৭৫ শতাংশ প্রভাবকে যথাক্রমে দুর্বল, মধ্যম ও শক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সে হিসেবে সমকামিতার উপর পরিবেশের প্রভাব অনেক শক্ত। কারণ, সমকামিতার উপর পরিবেশের প্রভাব নিয়ে করা যতগুলো স্টাডি আছে ড. হোয়াইটহেড উক্ত পেপারে সেগুলোকে রিভিউ করে দেখান যে, সমকামিতার উপর ‘নন-শেয়ার্ড’[৮] পরিবেশের প্রভাব ছেলে ও মেয়েদের ক্ষেত্রে যথাক্রমে ৬৪ ও ৬৩ শতাংশ (স্ট্যান্ডার্ড ডেভিয়েশনও কম যথাক্রমে ১৪ ও ১২ শতাংশ)।  যদিও ড. হোয়াইটহেডের রিভিউতে সদৃশ যমজে সমকামিতার হার দুর্বল (২২ ও ৩৩ শতাংশ) হলেও আছে মনে হচ্ছে, তথাপি তিনি দেখিয়েছেন যে টুইন সংক্রান্ত স্টাডিগুলোতে যে নিয়মগুলো অনুসরণ করার কথা সেগুলো বিবেচনা করলে প্রত্যেকটি টুইন স্টাডিতে কোন না কোন দুর্বলতা (তথা নিয়মের লঙ্ঘন) পাওয়া যায় এবং তার ফলে স্টাডিগুলোর হিসেব শূন্যের কোঠায় নেমে আসে। ড. হোয়াইটহেড পরবর্তী স্টাডিগুলোতে নন-শেয়ার্ড পরিবেশের প্রভাব আরও বেশী পাওয়া যাবে বলেও উল্লেখ করেন।[৬]

মজার বিষয় হল অস্ট্রেলিয়ার একটি রিসার্চ গ্রুপ যারা সমকামীদের প্রতি নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রাখে (তথা ‘হোমোফোব’) তাদের উপর পরিবেশ ও জেনেটিক্সের প্রভাব নিয়ে স্টাডি করে দেখেছেন, হোমোফোবিয়ার পিছনে জেনেটিক্সেরও ভূমিকা আছে। আরও বিস্ময়কর হল আমেরিকান এটি গ্রুপ উক্ত স্টাডির পুনরাবৃত্তি করে অনুরূপ ফলাফল পেয়েছেন।[৯] অর্থাৎ সমকামিতা বা সমকামিতার বিরোধিতা যেটা নিয়েই আপনি সদৃশ যমজদের উপর পরীক্ষা চালান না কেন জেনেটিক্সের অল্পবিস্তর প্রভাব পাওয়া যাবেই, যা এই অল্পবিস্তর প্রভাবের ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন করাকে সমর্থন করে।

আমরা প্রবন্ধটি থেকে দেখলাম সমকামিতার উপর জেনেটিক্সের প্রভাবের পক্ষে টুইন স্টাডিগুলোর কোন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেই। বরং অনেক সমকামী ব্যক্তি, যারা পরবর্তীতে তাদের সম-লিঙ্গ-ঝোঁককে পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে, তাদের অভিজ্ঞতা থেকে এটা পরিষ্কার যে চেষ্টা করলে সেক্সুয়্যাল অরিয়েন্টেশন পরিবর্তন করা যায়।[১০] সুতরাং সমকামিতাকে জন্মগত বৈশিষ্ট্য বলে প্রচার করে মানুষদের সমকামিতার মত অপরাধের দিকে ঠেলে দেয়ার পক্ষে যে প্রতারণাপূর্ণ প্রচারণা অভিজিত গংরা চালিয়ে যাচ্ছে, তা তাদের যুব সমাজকে নৈতিকভাবে ধ্বংস করার অসৎ উদ্দেশ্যে পরিচালিত মিশনের একটি অংশ মাত্র।     

তথ্যসূত্র:

১. Robin Mckie. Why do identical twins end up having such different lives?. The Observer. [Internet] 2013 June 2 [Cited 2014 April 13]; Available at: http://www.theguardian.com/science/2013/jun/02/twins-identical-genes-different-health-study   

২. Anahad O’Connor. The Claim: Identical Twins Have Identical DNA. New York Times. [Internet] 2008 March 11 [Cited 2014 April 14]; Available at: http://www.nytimes.com/2008/03/11/health/11real.html?_r=0

৩. Sarah Graham. Identical Twins Exhibit Differences in Gene Expression. Scientific American. [Internet] 2005 July 5 [Cited 2014 April 14]; Available at: http://www.scientificamercian.com/articles/identicial-twins-exhibit-d/

৪. Khytam Dawood, J. Michael Bailey, and Nicholas G. Martin. Genetic and environmental influences in sexual orientation. Handbook of Behavior Genetics. Page 270. Available at: genepi.qimr.edu.au/contents/p/staff/NGMHandbookBehGen_Chapter19.pdf 

৫. Ibid. Page 271

৬. Neil E. Whithead. Neither Genes nor Choice: Same-Sex Attraction Is Mostly a Unique Reaction to Environmental Factors. Journal of Human Sexuality 2011[Cited 2014 April 14]; 3:81-114. Available at: http://www.mygenes.co.nz/whitehead_twinjhs.pdf

৭. What does science say about homosexuality.[Internet] 2006 April 4 [Cited 2014 April 14]; Available at: http://www.inqueery.com/html/science_and_homosexuality.html

৮. ‘নন-শেয়ার্ড’ পরিবেশ বলতে বুঝানো হচ্ছে মনোজাইগোটিক টুইনরা যখন একই পরিবেশে বড় না হয়ে ভিন্ন পরিবেশে বড় হয়।

৯. Rich Deem. Genetics and Homosexuality: Are People Born Gay? The Biological Basis for Sexual Orientation. Evidence For God. [Internet] Last Updated 2013 November 25 [Cited 2014 April 14]; Available at: http://www.godandscience.org/evolution/genetics_of_homosexuality.html#n22

১০. Neil E. Whitehead. Chapter Twelve: Can sexual orientation change?. My Genes Made Me do It. [Internet] Available at: http://www.mygenes.co.nz/PDFs/Ch12.pdf 

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s